স্টাফ রিপোর্টার ॥ কুষ্টিয়ায় জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন সবুজের নামে দায়েরকৃত জাসদ নেতা পাঞ্জের হত্যা মামলাকে মিথ্যা দাবী করে তা প্রত্যাহারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল-সমাবেশ ও জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলীপী দিয়েছে দলীয় নেতাকর্মীরা। বুধবার বেলা ১১টায় জেলা আওয়ামীলীগের দলীয় কার্যালয় কুষ্টিয়া শহরের বঙ্গবন্ধু মার্কেটের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা সবুজের মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবী তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী। পরে সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে শহর প্রদক্ষিণ শেষে স্মারকলীপী দিতে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন স্মারকলীপী গ্রহণ করেন। উল্লে¬খ্য, গত ১৪ এপ্রিল সকাল ৬টায় মিরপুর উপজেলার আহমেদপুর বাজারে একটি চায়ের দোকানে চা খাওয়ার সময় উপজেলা জাসদের সাবেক সহ-সভাপতি ইসমাইল হোসেন পাঞ্জের (৫৬)কে গুলি করে হত্যা করে সন্ত্রাসীরা। নিহত ওই জাসদ নেতা হত্যা, অস্ত্রসহ একাধিক মামলার আসামী। এ
বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৭, ২০১৪
কুষ্টিয়ায় সাংবাদিকতার পথিকৃত কাঙ্গাল হরিনাথ স্মরণে চিঠি উৎসব অনুষ্ঠিত
স্টাফ রিপোর্টার ॥ সাংবাদিকতার পথিকৃৎ কাঙ্গাল হরিনাথ মজুমদারের ১১৮ তম মহা প্রয়াণ দিবস উপলক্ষে কুষ্টিয়ায় ২য় আন্তঃবিদ্যালয় চিঠি উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ররুাল জার্নালিষ্ট সোসাইটি-বিআরজেএস এর উদ্যোগে এ উৎসব জেলা পরিষদ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানের মধ্যে সকাল ১০ টায় চিঠি প্রদর্শনী বিকাল ৩ টায় আলোচনা সভা, সনদপত্র প্রদান, পুরস্কার বিতরন ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। উৎসবে দেশের বিভিন্ন জেলার ছাত্র-ছাত্রীদের ৫৭৯ টি চিঠি স্থান পায়। এর মধ্যে সেরা চিঠির জন্য ২০ জনকে ক্রেষ্ট সনদপত্র ও পুরস্কার প্রদান করা হয়। এর আগে আলোচনা সভায় বাংলাদেশ ররুাল জার্নালিষ্ট সোসাইটি-বিআরজেএস সভাপতি ও কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি রাশেদুল ইসলাম বিপ্লবের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন। বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মফিজ উদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু বক্কর সিদ্দিক, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী, কুষ্টিয়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার নাছিম উদ্দিন আহমেদ, জেলা জাসদের সভাপতি গোলাম মহসিন, দৈনিক কুষ্টিয়া প্রত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মজিবুল
শফিকুল আলম মোল্লাকে শুক্রবার গুণীজন সম্মাননা দেওয়া হবে
শরীফুল ইসলাম, কুমারখালী ঃ ১৮ই এপ্রিল শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকায় কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরী ঢাকা সেমিনার হল শাহবাগ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের উদ্যোগে শেরে বাংলার ৫২ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও গুণীজন সম্মাননা সভার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা গোপগ্রাম ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মোঃ শফিকুল আলম মোল্লাকে সফল ও শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে বিশেষ অবদানের জন্য শেরে বাংলা স্বর্ণ পদক ২০১৪’র সম্মাননা প্রদান করা হবে। গুণীজন সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধান বিচারপতি এম তাফাজ্জল
খোকসায় বই পাঠ প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান
১লা বৈশাখ ১৪২১ বাংলা শুভ নববর্ষ উপলক্ষে খোকসার শিমুলিয়া মোল্লপাড়া গ্রামে শহীদ রউফ -রেজা স্মৃতি পাঠাগারের উদ্যোগ সকাল ১০ টায় লিয়াকত আলী উম্মুক্ত মঞ্চ প্রাঙ্গণে গ্রন্থাগারে বই পাঠ প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরনী সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কিশোর হাফেজ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। মোঃ সাইফুর রহমান আল-আমিন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালত হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পাঠাগারের সভাপতি মোঃ আব্দুল মোতালেব। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রনীতি ও লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ লুৎফর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শিমুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাঃ আশরাফুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ ছাদেকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও বৃক্ষপ্রেমী মোঃ লিয়াকত আলী। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি গ্রন্থাগারে বই পাঠ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারী ও বিজয়ীদের মধ্যে সনদপত্র ও পুরষ্কার বিতরন করেন। উল্লেখ্য যে, মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের ইতিহাস-সংস্কৃতি, গল্প,
আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস
আক্তারুজ্জামান, মেহেরপুর : আজ ১৭ এপ্রিল। ঐতিহসিক মুজিবনগর দিবস। আজ থেকে ৪৩ বছর আগে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল শনিবার বেলা ১১ টার দিকে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে এক অনাড়ম্বর পরিবেশে অনুষ্টিত হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহন। শপথ অনুষ্ঠানে পাঠ করা হয় স্বাধীনতার ঘোষনা পত্র। স্বাধীনতার মহামন্ত্রে উদ্বীপ্ত বাঙালী ও ১২৭ জন দেশী বিদেশী সাংবাদিকের উপস্থিতিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন মন্ত্রী সভার সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। পরিচয় অনুষ্টানের সাত দিন আগে ১০ এপ্রিল ”৭১ এ গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠনের ঘোষনা প্রদান করা হয়। যার নামকরন হবে বিপ্লবী সরকার। বৈদ্যনাথতলা ছিল এক অপরিচিত গ্রাম। ১৭ এপ্রিল ”৭১ এ বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহন অনুষ্টানে মেহেরপুরের এই গ্রামটির নামকরন করা হয় মুজিবনগর। শপথ অনুষ্টানে প্রধানমন্ত্রী তাজউর্দ্দীন আহমেদ ঘোষনা করেন,আজ থেকে(১৭ এপ্রিল) বৈদ্যনাথ তলার নাম হবে মুজিবনগর।
১৬ এপ্রিল রাতের মধ্যেই তৎকালীন সময়ের জাতীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হতে থাকে সীমান্ত জেলা মেহেরপুরে। জেলার স্বাধীনতাকামী মানুষের মাঝে বিরাজ করে এক পুলকিত অনুভব। উদ্বেগ আর উত্তেজনার প্রহর কাঁটে। আকাশে কালো মেঘ জমে। রাতের নিস্তদ্ধতা বেয়ে বৃষ্টি নামে মহাকুমার সমগ্র এলাকা জুড়ে। এ যেন নিদ্রাহীন অপেক্ষমান বাঙালি জাতীর জন্য প্রকৃতির এক নিরব আর্শিবাদ। অপেক্ষার পালা শেষ। এক সময় রাএী পোহায়। মেহেরপুরের নীল আকাশে উদিত হয় নতুন প্রত্যয়দীপ্ত সূর্য। আসে সেই স্বর্ণাক্ষরে লেখা তারিখ ১৭ এপ্রিল। বাঙালী জাতির কাংক্ষিত স্বাধীন রাষ্ট্রের সরকার প্রতিষ্ঠার সেই স্মরনীয় দিন। বৈদ্যনাথতলার আম্রকুঞ্জের ছায়ায় নিরাভারন,অনাড়ম্বর কিন্তু গভীর আন্তরিকতা দিয়ে আয়োজিত অনুষ্টান স্থলে পাশ্ববর্তী এলাকা থেকে সংগৃহিত হয়েছিল চেয়ার বেঞ্চ। সংগৃহিত এসব চেয়ার বেঞ্চের বেশির ভাগই ছিল পুরানো। কোনটির হাতল ভাঙ্গা, ছিল পায়াভাঙ্গা,ছিলনা চাকচিক্যতা। আর এসব আসনে বসে ছিলেন,সেদিন বাঙালী জাতীর স্বাধীনতার অগ্রদূতরা,স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারের মন্ত্রীবর্গ। পূর্বের রাতের(১৬ এপ্রিল) বৃষ্টি ভেঁজা আম্রকুঞ্জের ভারি বাতাসকে ফাঁকি দিয়ে ওঠা সূর্যের পরিচ্ছন্ন আলোয় বৈদ্যনাথতলা যখন আলোয় উদ্ভাসিত, তখন সকাল গড়িয়ে দুপুর। সোনালী রোদে জড়ো হওয়া হাজার হাজার স্বাধীনতাকামী মানুষ অগ্রগামী সঙ্গীতের প্রত্যাশায় উন্মুখ। অপেক্ষার পালা শেষ করে এলো সেই মহেন্দ্রক্ষন। শুরু হলো মূল অনুষ্টান। পৃথিবীর মানচিত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যূদয় হলো একটি নতুন দেশের। সমগ্র বিশ্ববাসী জানলো মুজিবনগর স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী। আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ঘোষনাপত্র পাঠ এবং নব-গঠিত মন্ত্রীসভার শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত হলো। এ সময় উপস্থিত হাজার
১৬ এপ্রিল রাতের মধ্যেই তৎকালীন সময়ের জাতীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হতে থাকে সীমান্ত জেলা মেহেরপুরে। জেলার স্বাধীনতাকামী মানুষের মাঝে বিরাজ করে এক পুলকিত অনুভব। উদ্বেগ আর উত্তেজনার প্রহর কাঁটে। আকাশে কালো মেঘ জমে। রাতের নিস্তদ্ধতা বেয়ে বৃষ্টি নামে মহাকুমার সমগ্র এলাকা জুড়ে। এ যেন নিদ্রাহীন অপেক্ষমান বাঙালি জাতীর জন্য প্রকৃতির এক নিরব আর্শিবাদ। অপেক্ষার পালা শেষ। এক সময় রাএী পোহায়। মেহেরপুরের নীল আকাশে উদিত হয় নতুন প্রত্যয়দীপ্ত সূর্য। আসে সেই স্বর্ণাক্ষরে লেখা তারিখ ১৭ এপ্রিল। বাঙালী জাতির কাংক্ষিত স্বাধীন রাষ্ট্রের সরকার প্রতিষ্ঠার সেই স্মরনীয় দিন। বৈদ্যনাথতলার আম্রকুঞ্জের ছায়ায় নিরাভারন,অনাড়ম্বর কিন্তু গভীর আন্তরিকতা দিয়ে আয়োজিত অনুষ্টান স্থলে পাশ্ববর্তী এলাকা থেকে সংগৃহিত হয়েছিল চেয়ার বেঞ্চ। সংগৃহিত এসব চেয়ার বেঞ্চের বেশির ভাগই ছিল পুরানো। কোনটির হাতল ভাঙ্গা, ছিল পায়াভাঙ্গা,ছিলনা চাকচিক্যতা। আর এসব আসনে বসে ছিলেন,সেদিন বাঙালী জাতীর স্বাধীনতার অগ্রদূতরা,স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারের মন্ত্রীবর্গ। পূর্বের রাতের(১৬ এপ্রিল) বৃষ্টি ভেঁজা আম্রকুঞ্জের ভারি বাতাসকে ফাঁকি দিয়ে ওঠা সূর্যের পরিচ্ছন্ন আলোয় বৈদ্যনাথতলা যখন আলোয় উদ্ভাসিত, তখন সকাল গড়িয়ে দুপুর। সোনালী রোদে জড়ো হওয়া হাজার হাজার স্বাধীনতাকামী মানুষ অগ্রগামী সঙ্গীতের প্রত্যাশায় উন্মুখ। অপেক্ষার পালা শেষ করে এলো সেই মহেন্দ্রক্ষন। শুরু হলো মূল অনুষ্টান। পৃথিবীর মানচিত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যূদয় হলো একটি নতুন দেশের। সমগ্র বিশ্ববাসী জানলো মুজিবনগর স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী। আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ঘোষনাপত্র পাঠ এবং নব-গঠিত মন্ত্রীসভার শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত হলো। এ সময় উপস্থিত হাজার
পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধে কমিউনিটী পর্যায়ে পুলিশ ও গ্র“প সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা
গত কাল ১৬ মার্চ’১৪ ইং তারিখে মুক্তি নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় পারিবারিক সহিংসতা কমিয়ে এনে নারী অধিকার উন্নয়ন প্রকল্পের কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের সাঁওতা কারিগরপাড়ায় কমিউনিটী পর্যায়ে পুলিশ ও গ্রুপ সদস্যদের সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন চাপড়া ইউনিয়ন পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সদস্য ডা: আবু সাঈদ আমানুল্লাহ। অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাঁধ বাজার ক্যাম্প ইনচার্জের প্রতিনিধি মো: মোস্তাফিজুর রহমান ও সাঁওতা কারিগরপাড়া জামে মসজিদের সভাপতি সামছুল আলম, চাপড়া ইউপি সদস্য অরিনা হক, সমাজ সেবক নুরুদ্দিন, পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সদস্য আবু তালেব খাগছার। সাব নিকাহ রেজিষ্ট্রার ডা: আব্দুল জলিল। সভায়
দৌলতপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৩ টি বাড়ি ভাংচুর আহত ৫
দৌলতপুর প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের গোয়ালগ্রাম মোল্লাপাড়া গ্রামে প্রতিপক্ষের লোকজন ৩ টি বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। এ সময় ৫ জন আহত হয়েছে। প্রাণভয়ে ৩ টি পরিবারের লোকজন অন্যত্র পালিয়ে গেছে। প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানায়, গোয়ালগ্রাম মোল্লাপাড়া গ্রামের ফজলুর রহমানের পরিবারের সাথে দুলু মোল্লার পরিবারের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে দুলু মোল্লা, জিনার, একরামূল, মহিবুল, আসমত, ও উজ্জল সহ ১৫/১৬ জন ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে ফজলুর রহমান, বল্টু ও জনির বাড়িতে অতর্কিতে হামলা করে দরজা, জালানা, আসবাবপত্র, পানির ট্যাংক,ভাংচুর করে। এবং ৮
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)