মঙ্গলবার, অক্টোবর ০৮, ২০১৩

মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক.............. অতঃপর প্রেমিকার অভিযোগে প্রেমিক আটক ॥ অবশেষে থানায় বিয়ে

স্টাফ রিপোর্টার : মোবাইলে সম্পর্ক হয় ভেড়ামারা শহরের কাঁচারিপাড়া এলাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী শামসুল আলমের ছেলে নাহিনের (২৪) সাথে কুমারখালীর মালিহাট গ্রামের সোলাইমান শেখের মেয়ে মৌসুমী আক্তারের (২১)। দীর্ঘ ১ বছর তাদের মধ্যে গভীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। মৌসুমিকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার দৈহিক সম্পর্ক গড়ে তোলে নাহিন। সর্বশেষ গতকাল সকালে তাদের বিয়ে হওয়ার কথা ছিল কুষ্টিয়া কোর্টে। কিন্তু রাতেই প্রতারক প্রেমিক নাহিন মোবাইল ফোনে মৌসুমীকে জানায় তাকে আর বিয়ে করবে না। পরে মৌসুমী কোন উপায়ন্ত না পেয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে মডেল থানা পুলিশ সকালে ভেড়ামারা শহরের নিজ বাসা থেকে নাহিনকে

৫ দফা দাবীতে কুষ্টিয়া ম্যাটস্ শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল সড়ক অবরোধ স্মারকলিপি প্রদান

আব্দুম মুনিব : ইন্টারনীশীপ ভাতা ও আবাসন সুবিধা প্রদান, চাকুরী ক্ষেত্রে অবিলম্বে নুতন পদ সৃষ্টিসহ নিয়োগ বাস্তবায়ন, ডিপ্লোমা কোর্স শেষে উচ্চ শিক্ষা, ২য় শ্রেনীর পদমার্যাদা কার্যকর ও পদোন্নতি এবং প্রতিষ্ঠানের নাম পরিবর্তন করে মেডিকেল ইন্সটিটিউট করার দাবীতে বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল স্টুডেন্টস্ এসোসিয়েশন কুষ্টিয়া জেলা শাখা মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল, সড়ক অবরোধ ও জেলা প্রশাসক বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে। গতকাল সোমবার সকাল ১০টায় শহরের এনএস রোড়স্থ কুষ্টিয়া প্রেসক্লাবের সামনে শত শত শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন, প্লে-কার্ডসহ বিভিন্ন দাবী দাওয়া সম্মিলিত ব্যানার নিয়ে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেন। পরে তারা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের কুষ্টিয়া সার্কিট হাউজের সামনে সড়ক অবরোধ করে। প্রায় আধা ঘন্টা চলা সড়ক অবরোধে সড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকে পড়ে। এসময় পুলিশ এসে শিক্ষার্থীদের ছত্রভঙ্গ করে দিলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরে শিক্ষার্থীরা মিছিল নিয়ে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কাছে দাবী দাওয়া সম্মিলিত স্মারক লিপি স্বাস্থ্য মন্ত্রী বরাবর প্রদান করেন।বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল স্টুডেন্টস্ এসোসিয়েশন কুষ্টিয়া জেলা শাখার সভাপতি মুরসালিন ও সাধারণ সম্পাদক তাসনিম এনাম জানান, আজকের এই প্রতিযোগিতামুলক বিশ্বে সকল টেকনিক্যাল শিক্ষার মধ্যে মেডিকেল এ্যাসিস্ট্যান্ট অন্যতম। কুষ্টিয়া জেলার ১ম, ২য় ও ৩য়

লোকমান হোসেন ফাউন্ডেশন’র কার্যনির্বাহী পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত


 মনির উদ্দিন মনির : বীরমুক্তিযোদ্ধা শহীদ লোকমান হোসেন ফাউন্ডেশন’র কার্যনিবাহী পরিষদের এক সভা গতকাল রবিবার বিকেলে মিরপুর উপজেলার তালবাড়ীয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সংগঠনের তালবাড়ীয়াস্থ প্রধান কার্য্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন লোকমান হোসেন ফাউন্ডেশন’র সভাপতি বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোঃ সাদেকুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন, লোকমান হোসেন ফাউন্ডেশন’র সাধারন সম্পাদক ও নির্বাহী পরিচালক বিশিষ্ট আইনজীবী শহীদ লোকমান হোসেন’র সুযোগ্য পুত্র এ্যাড. আল মুজাহিদ হোসেন মিঠু, নির্বাহী সদস্য এ্যাড. সোহেলী পারভীন ঝুমুর, সংগঠনের সহ-সভাপতি নিজাম উদ্দীন কবিরাজ, কোষাধাক্ষ সহকারী অধ্যাপক আশরাফুল ইসলাম, নির্বাহী সদস্য রেজাউল করিম, তোহুরা খাতুন প্রমুখ। অনুষ্ঠানে লোকমান হোসেন ফাউন্ডেশন সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক (কুস ৯৫৮/২০১৩) রেজিষ্ট্রেশন পাওয়ায় সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সকলের সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করা হয়। সভা শেষে ফাউন্ডেশন’র উত্তোরাত্তর সাফল্য কামনা করে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন, দারুল উলুম হাজী আহম্মদ আলী মাদ্রসার মুহতামিম মাওলানা খাইরুল ইসলাম।

আন্ত : জেলা বয়স ভিত্তিক মহিলা সাঁতার প্রতিযোগিতায় কুষ্টিয়া জেলা মহিলা ক্রিড়া সংস্থা চ্যাম্পিয়ান

মামুনুল ইসলাম ঝন্টু : ঢাকা ধানমুন্ডি সুলতানা কামাল মহিলা ক্রিড়া কমপ্লেক্্ের ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত্ব আন্ত : জেলা বয়স ভিত্তিক মহিলা সাঁতার প্রতিযোগিতায় কুষ্টিয়া জেলা চ্যাম্পিয়ান হয়েছে । এ খেলায় ৪০ টি জেলার মহিলা প্রতিযোগিরা অংশ গ্রহন করে । ৩ টি ক্যাটাগরিতে মোট ১৪ টি ইভেন্টে খেলা হয় । ১৪ টির মধ্যে কুষ্টিয়া জেলা মহিলা ক্রিড়া সংস্থার সাঁতারুরা ৪ স্বর্ণ,২ টি রুপ্য ও ৩ টি তাম্র অর্জন করে দলগত ভাবে চ্যাম্পিয়ান হয় । খেলা উদ্বোধন করেন বর্তমান সরকারের ভূমি প্রতিমন্ত্রি এ্যাড : মোস্তাফিজুর রহমান ও সমাপনী অনুষ্ঠানে পুরুস্কার বিতরন করেন বানিজ্য মন্ত্রি জি.এম.কাদের । শুধু এখানেই নয় কুষ্টিয়ার সাঁতারুরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাঁতার প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহন করে গৌরব অর্জন করেছে । তাদের এই অর্জনের জন্য অভিন্দন জানিয়েছেন কুষ্টিয়া জেলা মহিলা ক্রিড়া সংস্থার সভানেত্রী ও কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেনের সহধর্মীনি রেবেকা সুলতানা,সাধারন সম্পাদিকা আল-হামরা বেগম । এ বিষয়ে কোচ এমদাদুল হক বলেন আমাদের মেয়েদের এই অর্জন সভানেত্রীর জন্যই সম্ভব হয়েছে বলে আমি মনে করি ।

যুবদল শহর নেতৃবৃন্দের বিবৃতি

আমরা নিম্ন স্বাক্ষরকারীগণ ৫ অক্টোবর কুষ্টিয়া থেকে প্রকাশিত দৈনিক আজকের সুত্রপাত, সত্যখর ও কুষ্টিয়া প্রতিদিন পত্রিকায় কুষ্টিয়া শহর যুবদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন সম্পর্কিত সংবাদ দেখে বিষ্মিত হয়েছি। উক্ত কমিটির সাথে আমাদের এবং শহর যুবদলের কোন নেতাকর্মীর সম্পৃক্ততা নেই। স্বাক্ষরকারী নেতৃবৃন্দ হলেন শহর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল হাসান কুটি, সাবেক জিএস ও জেলা যুবদল নেতা মীর মফিজুর রহমান উজ্জল, শহর যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক ফয়সাল হাসান খালিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াসির আরাফাত, শহর যুবদল নেতা রকিবুল ইসলাম শান্ত, রাশেদুজ্জামান রনি, তাহের চৌধুরী, সোহেল রহমান, মকসেদুল হক কল্লোল, বিপ্লব পাল (ভবেশ), মেহেদী হাসান তৌহিদ, খোকন উদ্দিন, সাইফুল, মাসুদ রানা, মিজানুর রহমান, রবিউল, রাজু আহমেদ, কালা, মিকাইল, সজল মাহমুদ লিটন, মির্জা সিরাজুম মনির (মাসুম), তুহিন মন্ডল, আমিরুল ইসলাম, ওসমান গনি, আলামিন শাহিন, মিকাইল হোসেন মিঠু।

ইসলামী ছাত্র মজলিস এর বার্ষিক সহযোগী সদস্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি : বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র মজলিস কুষ্টিয়া শহর শাখার উদ্যোগে বার্ষিক সহযোগী সদস্য সমাবেশ ৬ অক্টোবর থানাপাড়া আই সি এম মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারী জেনারেল সোহাইল আহমদ। সমাবেশে সহযোগী সদস্যদের প্রতক্ষ্য ভোটে ২০১৩-১৪ সেশনের জন্য সভাপতি নির্বাচিত হন হাফেজ মুহাম্মদ শরিফুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক মনোনিত হন মুহাম্মদ আব্দুর রব তুহিন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া জেলা সভাপতি মুহাম্মদ আজম আলী সেক্রেটারী সেলিম রেজা, মেহেরপুর জেলা সভাপতি আল আমিন, সাবেক জেলা সভাপতি হাসান আল মাহমুদ।

সোমবার, অক্টোবর ০৭, ২০১৩

হিলি সীমান্তে বেড়েই চলেছে নারী-শিশু পাচার ও অবৈধ অনুপ্রবেশ

দিনাজপুর প্রতিনিধি : দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলি সীমান্ত দিয়ে অবৈধ পথে ভারত ও বাংলাদেশে লোক যাতায়াত বৃদ্ধি পেয়েছে।এই সুযোগে স্থানীয় দালালদের সহযোগিতায় পাচার হয়ে যাচ্ছে নারীওশিশু-কিশোররা। অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ে সীমান্তরক্ষীদের হাতে দু’একজন ধরা পড়লেও সিংহ ভাগই পাচার হয়ে যাচ্ছে ভারতে। উপজেলার হিলি সীমান্তের চিত্রটা এমনি যে, হিলির বুক চিরে বয়ে যাওয়া রেল লাইনটাই ভাগ করে রেখেছে ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত। দুই সীমান্তের হাট বাজারের নামও হিলি , যার মৌজা আর জেলার নাম একই। এলাকার ঘনবসতি এতটাই কাছাকাছি যে, এক লাফে রেল লাইনটা পার হলেই যাওয়া যায় ভারত। আর দাললের মাধ্যমে মানুষের মাঝে মিশে অনায়াসে চলে যাওয়া যায় ভারত অভ্যন্তরে। এসব সীমান্তে বসবাসকারীদের সাথে রয়েছে দালালদের সখ্যাতা। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে নারীÑশিশু-পুরুষ এনে সীমান্তের নিদিষ্ট দালালদের পছন্দমত বাড়িতে রাখা হয়। পরে সুযোগ বুঝে জনপ্রতি ২ থেকে ৩ হাজার টাকা নিয়ে বিজিবির কিছু অসাধু সদস্যকে ম্যানেজ করে পার করে দেয়া হয় সীমান্তের ওপারে। দালাল চক্রটি দেশের বিভিন্ন জেলার অভাবি অঞ্চলে গিয়ে বিভিন্ন বয়সী ছেলে মেয়ে ও কিশোরদের ভারতে ভালো কাজ দেবার কথা বলে হিলি সীমান্তে নিয়ে আসে এবং পাচার করে দেয় ভারতে। হিলি সীমান্তের চেকপোষ্ট, চুরিপট্রি রেলগেট, ষ্টেশন এলাকা, বালুরচর, ডাববাগান,এসব এলাকা দিয়ে এসব লোক পারাপার হয়ে থাকে । আর এসব অবৈধ পারাপারের অন্তরালে পাচার হয়ে যায় অনেক নারীও শিশু-কিশোররা। তেমনি দিল্লির ইট ভাটায় কাজ নিয়ে দেবে বলে ডেকে আনে দালাল চক্রের সদস্যরা, ভারতে পাচার করে দেওয়ার সময় স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় বিজিবি সদস্যরা নুরুজ্জামান