গাংনীর তেরাইল গ্রামের মামুনের লাশ ফেলা হয়েছে সাগরে। দালালদের হাতে জিম্মি ৩ জনের উপর চলছে নির্যাতন।
আক্তারুজ্জামান,মেহেরপুর : মা আমাকে বাঁচাও আমি বাঁচতে চাই। বাবা জমি বিক্রি করে হলেও দালালদের হাতে টাকা তুলে দাও। না হলে মামুনের মত আমাকেও মেরে ফেলে দেবে সাগরে। আমি ফিরে আসতে পারবনা। এভাবেই বাঁচার আকুতি করছে থাইল্যান্ডের কোন অজানা স্থানে নির্যাতিত কামিরুল ইসলামের ছেলে বেল্টু। এছাড়া নির্যাতিত আজিরুদ্দীন হাফিজুল ইসলাম ও তাদের পরিবারের সদস্যদের কাছে একই ভাবে আকুতি জানাচ্ছেন। গত ১০ অক্টোবর গাংনী উপজেলার তেরাইল গ্রামের কালাম ড্রাইভারের ছেলে মামনুর রশিদ মামুন (২৬), হাবিবুর রহমানের ছেলে হাফিজুল ইসলাম, কামিরুল ইসলামের ছেলে বেল্টু ও আজিরুদ্দীন নামের ৪ জন পানি পথে অবৈধভাবে স্থানীয় দালালের মাধ্যমে মালেশিয়া যাওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল। আজিরুদ্দীনের মেয়ে আদুরী খাতুন জানান, সংসারে একটু সচ্চলতা ও ঋণের জাল থেকে বেরিয়ে আসতে পরিবারের লোকজনের অন্তরালেই আমার বাবা পাড়ি জমাতে চেয়েছিল মালেশিয়াতে। কিন্তু এখন আমাদের পরিবারের সচ্চলতা তো দুরের কথা বাবার জীবন বাঁচাতে পারবো কিনা এখন সন্দেহ তৈরী হয়েছে। এদিকে মামনের মৃত্যুর খবর অপর সাথীদের কাছ থেকে নিশ্চিত হওয়ার পর নিজ গ্রামে গ্রামবাসিরা গত রবিবার বিকালে মামুনের গায়েবানা জানাজা করেছে । মামুনের পিতা কালাম ড্রাইভার জানান, আমার ছেলে বিদ্যুতের ওয়্যারিং মিস্ত্রি হিসেবে এলাকায় কাজ করতো। হঠাৎ তেরাইল গ্রামের আব্দুল গনির ছেলে জাহাঙ্গীর হোসেন ও হেমায়েতপুর গ্রামের দালালদের মাধ্যমে পানি পথে মালেশিয়াতে যায়। মামুনের বড় বোন নাছরিন নাজমা খাতুন জানান, উপজেলার হেমায়েতপুর গ্রামের জাহিদ হোসেন ও তেরাইল গ্রামের জাহাঙ্গীর হোসেন তার ভাই মামুন কে নানা প্রলোভন দেখিয়ে মালোয়েশিয়া যাওয়ার জন্য ট্রলারে তুলেছে। মুত্যুর আগে মোবাইল ফোনে পরিবারের সদস্যদের বলেছে আমি মালোয়েশিয়ায় পৌছানোর পর তেরাইল গ্রামের আব্দুল গনির ছেলে জাহাঙ্গীরহোসেন হেমায়েতপুর গ্রামের জাহিদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দিবা। এর পর থেকে মামুনের সাথে যোগাযোগ বন্ধ। মামুনের সাথে যাওয়া বেল্টু,আজিরুদ্দীন ও হাফিজুল ইসলাম তাদের

