॥ কুষ্টিয়া ইবি থানারএক চোরের মৃত্যু হয়। এই সময়
তার পাশে দুই জোড়া স্যান্ডেল কিছু পোশাক,দুইটি একসা ব্লেড, কাটিং প্লাস,পাওয়া যায়। এই লাশের
আসল পরিচয় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। পরে ইবি
থানার পুলিশ লাশ উদ্ধার করে কুষ্টিয়া মর্গে প্রেরণ করেন। পল্লি বিদ্যুৎ
এক কর্মচারী জানান, গভীর রাতে
চুরি করার সময় এর মুত্যু হয়। সরোজমিন
ঘুরে দেখা যায়,১১হাজার
ভোল্টে এক পল থেকে তারা কাটা অবস্থা পরে আছে।
সোমবার, জানুয়ারি ১৪, ২০১৩
অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদে ৫ শতাধিক নারী পুরুষের গাংনী থানার সামনে বিক্ষোভ

হরিণাকুণ্ডুতে বিএনপির গণসমাবেশে মসিউর রহমান আওয়ামী লীগ অন্ধ হয়ে দেশে দুঃশাসন চালাচ্ছে
ঝিনাইদহ প্রতিনিধি ॥ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচির মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিঃশর্ত মুক্তি ও নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে গণসমাবেশ করেছে বিএনপি। রোববার বিকালে শাখারিদহ স্কুল মাঠে কাপাসহাটিয়া ইউনিয়ন বিএনপি এ সমাবেশের আয়োজন করে। কাপাসহাটিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক প্রভাষক কামাল হোসেন, জেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা আশরাফুল ইসলা পিন্টু, প্রভাষত জাহাঙ্গীর হোসেন, সাজেদুর রহমান পপ্পু, আরিফুল ইসলাম আনন, তহুরা খাতুন বক্তব্য রাখেন। সমাবেশে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপসি'ত ছিলেন।মসিউর রহমান বলেন, বর্তমান সরকার নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবসা সংবিধান থেকে বাতিল করে মানুষের পছন্দসই প্রার্থীকে ভোট দেয়ার অধিকার হরণ করেছে। তিনি বলেন, কারো খেয়ালখুশি মতো দেশ চলতে পারে না। দেশ চলবে জনগণের মতামতের ভিত্তিতে। দেশের সর্বোচ্চ আইন ও সংবিধান অনুযায়ী।
মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে কুষ্টিয়ায় স্বেচ্ছাসেবকলীগের যৌথ জরুরী সভা অনুষ্ঠিত
হাওয়া ডেস্ক ॥ গতকাল বিকাল ৫ টায়
বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ কুষ্টিয়া জেলা কার্যালয়ে জাতীয় শ্রমিকলীগ, বাংলাদেশ কৃষকলীগ, বাংলাদেশ আওয়ামী
যুবলীগ ও বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ কুষ্টিয়া জেলা শাখার এক যৌথ জরুরী সভা অনুষ্ঠিত
হয়। গত ১১ জানুয়ারী
২০১৩ ইং তারিখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কুষ্টিয়া শহর শাখার যুগ্ম আহবায়ক
মোঃ কামরুজ্জামান জাহিদসহ ও তার স্বাধীনতা বিরোধী কুচক্রী মহল স্বেচ্ছাসেবকলীগের রাজনৈতিক
কর্মকান্ডে ভীতু হয়ে কুষ্টিয়া জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ সাজ্জাদ হোসেন
সবুজ, সহ-সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান মজনু,
সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আরিফুল ইসলাম মামুন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দের
নামে মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করায় সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তীব্র ক্ষোভ
ও নিন্দা জ্ঞাপন করেছেন। সভার বক্তারা অত্যন- ক্ষোভের সাথে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের
জন্য জোর দাবি জানিয়েছেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন কুষ্টিয়া
জেলা কৃষকলীগের সভাপতি ও কুষ্টিয়া পৌরসভার প্যানেল মেয়র মতিয়ার রহমান মজনু। কুষ্টিয়া
জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান লাবুর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন জেলা
কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক লিয়াকত আলী, যুব লীগের সাধারণ সম্পাদক
মোঃ মনিরুজ্জামান লালন, জাতীয় শ্রমিকলীগের
সভাপতি গোলাম মোস-ফা, স্বেচ্ছাসেবক
লীগের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আশরাফ উদ্দিন শেখ রনি, যুগ্ম-সম্পাদক হালিমুজ্জামান
হালিম, যুগ্ম-সম্পাদক
সেলিম রেজা, মুক্তিযোদ্ধা
যুব কমান্ডের সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইকবাল মাহমুদসহ সহযোগী সংগঠনের সকল নেতৃবৃন্দ।
ভেড়ামারায় হিজড়াদের বিক্ষোভ মিছিল মানববন্ধন ও স্বারকলিপি পেশ
মনির উদ্দিন মনির ॥ জীবনের নিরাপত্তা,
নকল হিজড়াদের নিপীড়নের হাত থেকে রক্ষা এবং সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের
দাবীতে কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় হিজড়া’রা বিক্ষোভ মিছিল,
সমাবেশ, স্বারকলিপি পেশ এবং
মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে। সম্মিলিত হিজড়া পরিষদ’র ব্যানারে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচীতে খুলনা বিভাগের শতশত হিজড়া
অংশগ্রহন করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে সন্ত্রাসীদের দৃষ্ঠান-মুলক শাসি- দাবী করেন।পরে ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার
মোহাম্মদ রাজিবুল ইসলামের কাছে স্বারকলিপি পেশ করেন হিজড়া’রা। হিজড়া পরিষদ
সূত্রে জানা গেছে, গত ৪ জানুয়ারী দুপুরে ভেড়ামারার জগশ্বর-পরানখালী
গ্রামে হিজড়ার একটি কাফেলা গেলে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে নকল হিজড়া শিপনের নেতৃত্বে সন্ত্রাসী
তাইরুল’র সঙ্গপাঙ্গারা আর্তকিত হামলা চালায়। এসময় গুরুত্বর আহত হয় হিজড়া দলের সদস্য নুরি (২৫), টমেটো (২৭), আখিয়া (৩২), শারমিন (৩৮)। স্থানীয়রা তাদের কে উদ্ধার
করে প্রথমে ভেড়ামারা উপজেলা কমপ্লেক্সে পরে
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ঘটনার পর ৬ জানুয়ারী
ভেড়ামারা থানায় একটি মামলা দায়ের হয়। যার নং ৪। এসময় থানা ঘেরাও করে হিজড়া পরিষদ ৭ দিনের অল্টিমেটাম দিয়ে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের
দাবী জানান। এসময়’র মধ্যে গ্রেফতার না হওয়ায় গতকাল রবিবার সকালে হিজড়া পরিষদ ভেড়ামারা শহরে বিক্ষোভ
মিছিল, সমাবেশ, স্বারকলিপি পেশ এবং মানববন্ধনের মতো কর্মসূচী স্বর্তফুর্ত ভাবে পালন করে। ভেড়ামারা বাসষ্টান্ড থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন
করে উপজেলা পরিষদ চত্বরে শেষ হয়। সেখানে বিক্ষোভ সমাবেশ
এবং মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ রাজিবুল ইসলামের
কাছে স্বারকলিপি পেশ করেন হিজড়া’রা। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, সম্মিলিত হিজড়া পরিষদের
আহবায়ক কমলা, হিরা, মহুয়া, লাবলী, সিমা, অখিরন এবং আলেয়া হিজড়া। বক্তরা দ্রুত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার দাবী করে বলেন, অবিলম্বে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করা না হলে সারা দেশের হিজড়া সমপ্রদায় নিয়ে ঐক্যবদ্ধ
ভাবে বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তুলে সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারে বাধ্য করা হবে।
মওলানা ভাসানীর জীবনী বাদ দেয়ায় জাতীয় ছাত্রদলের প্রতিবাদ অনুষ্ঠানে ন্যাপ মহাসচিব : পাঠ্যপুস-ক থেকে মওলানা ভাসানীর জীবনী বাদ দেয়া জাতীর সাথে প্রতারনা
হাওয়া ডেস্ক ॥ বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব
এম. গোলাম মোস-ফা ভুইয়া বলেছেন, দেশপ্রেমের এক জলন-
পথিকৃত, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব,
পতাকা-মানচিত্র রক্ষার লড়াই আর আধিপত্যবাদ বিরোধী সংগ্রামের
সমগ্র জাতীর অনুপ্রেরনার উৎস মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর সংক্ষিপ্ত জীবনী ৫ম ও ৮ম
শ্রেনীর পাঠ্যপুস-ক থেকে বাদ দিয়ে আওয়ামী সরকার সমগ্র জাতির সাথে প্রতারনা করেছে। আজকের ও আগামী প্রজন্মের নিকেট থেকে মওলানা ভাসানীকে মুছে ফেলতে যারা ষড়যন্ত্র
করছে তারা সাম্রাজ্যবাদীদের পাঁচাটা দালাল ছাড়া অন্য কিছুই নয়। তিনি বলেন, বাংলাদেশ মানে মওলানা ভাসানী, ভাসানী মানে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের এই মহানায়ককে যারা ইতিহাস থেকে মুছে ফেলতে চায় তাদের বিচার ইতিহাসের
কাঠগড়ায়।
তিনি আজ রবিবার
বিকালে নয়াপল্টনন' সংগঠনের কার্যালয়ে ‘পাঠ্যপুস-ক থেকে মওলানা ভাসানীর জীবনী বাদ দেয়ার প্রতিবাদে-
বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্রদল আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখছিলেন। বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্রদল যুগ্ম আহ্বায়ক সোলায়মান সোহেলের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন
ন্যাপ যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ শাহজাহান সাজু, স্বপন কুমার
সাহা, নগর সাধারন সম্পাদক মোঃ শহীদুননবী ডাবলু,
জাতীয় ছাত্রদল নেতা সরজিৎ কুমার দ্বিপ, মেহেদী হাসান আপন, এম.এ. জি সোহেল,
আকবর মোহাম্মদ, আবদুল আলিম
প্রমুখ।
শ্যামনগর গাবুরায় ভূমিহীন পল্লীতে সন্ত্রাসী হামলা
সালাউদ্দীনবাপ্পী, শ্যামনগর ॥ সুন্দরবন উপকূলীয় শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নের ৯নং সোরা ঘোপের খালের উত্তর পাড়ের ভূমিহীন পলৱীতে মেম্বর আবিয়ারের নেতৃত্বে শতাধিক সন্ত্রাসীরা ঘরবাড়ী ভাংচুর, আগুন, লুটপাট, ঘেরের বাধ কাটা, সহ হামলা করেছে। এ ঘটনায় ভুমিহীনরা বাধা দেয়ায় তিন ভুমিহীন নেতাকে অপহরণের চেষ্টা করা হয়। দু‘পক্ষের ২০ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল সকাল ৮ টায় গাবুরার ভূমিহীন পল্লীতে। এদিকে শ্যামনগর থানা পুলিশ ঘটনাস'লে পৌছে অপহৃতদের উদ্ধার সহ সরেজমিনে তান্ডবলীলা পরিদর্শন করেছে। সন্ত্রাসীরা ভূমিহীন সংগঠনের সভাপতি আঃ রাজ্জাককে আটক রেখে তার স্ত্রী মায়া খাতুনকে শৱীলতাহানী ঘটনোর চেষ্টা চালায়। এ সময় তার কোলে থাকা ছয় মাসের শিশু রাকিবুলকে চিংড়ী রেনু হাড়ীর ভিতর ঘরের খাটের নীচে লুকিয়ে রাখলে তাকেও আহত করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী স'ানীয় কুলসুম বিবি (৪০), রবিউল ইসলাম (৪২), হালিমা খাতুন (৩৫) জানান, গতকাল রোববার সকাল ৮ টার দিকে ডুমুরিয়া গ্রামের গহর আলীর পুত্র গাবুরা ইউপি মেম্বর আবিয়ার রহমান ও নওশের আলীর নেতৃত্বে দা, কুড়াল, গরানের লাঠি সহ দেড় শতাধিক ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে সুন্দরবন সংলগ্ন খোলপেটুয়া আর কপোতক্ষের নদীর তীরে গড়ে উঠা দ্বীপ নামে খ্যাত শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ঘোপের পাড় নামক ভূমিহীন পলৱীতে হামলা চালিয়ে ৩টি ঘর ভাংচুর , ১টি তে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া ভূমিহীন পলৱীর মধ্যে ছোট-বড় ৪/৫টি ঘেরের রাস্তা কেটে একাকার করে দেয়। ৩২ বিঘা খাস জমির উপর ৩০টি ভূমিহীন পরিবার সরকারী কাগজপত্র করে দীর্ঘ ৩০/৪০ বছর বসবাস করে আসছে। স'ানীয় মহিলা মেম্বর ফরিদা পারভীন জানান, গাবুরা ইউনিয়নের ঘোপের খালের পাড়ে ৮২ বিঘা খাস জমি আছে। তার মধ্যে ৩২ বিঘা জমি ৩০টি ভূমিহীন পরিবার বৈধ কাগজপত্র করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে। পাশে ৫০ বিঘার সরকারী সম্পত্তি জোরপূর্বক মেম্বর আবিয়ার রহমান দখল পূর্বক চিংড়ী ঘের করে রেখেছেন। আবিয়ার রহমান ভূমিহীনদের উচ্ছেদ করে ওই সরকারী ৮২ বিঘা জমি নিজের দখলে আনার জন্য এ ধরনের তান্ডব লীলা চালিয়েছে ভূমিহীনদের উপর। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় নারী শিশু সহ ২০ জন আহত হয়েছে। স'ানীয় চেয়ারম্যান জি,এম মাছুদুল আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ধরনের বর্বরচিত হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বির্বদ্ধে ব্যবস'া না নেওয়া হলে গাবুরা ইউনিয়নের সাধারন কোন মানুষ এদের কবল থেকে রক্ষা পাবে না। বিশিষ্ট সমাজ সেবক সাবেক ইউপি সদস্য আঃ মজিদ জানান, ভুমিহীনরা দীর্ঘ ৩০/৪০ বছর বসবাস করছে, এ সন্ত্রাসীরা তিনবার ভুমিহীনদের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। গত শুক্রবার এ বিষয় নিয়ে শ্যামনগর থানায় শালিশী হলে শ্যামনগর থানা অফিসার ইনচার্জ আহসান হাবিব উভয় পক্ষকে স্ব স্ব স'ানে থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ ঘটনায় শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা হলেন, ভূমিপলৱীর সভাপতি মোঃ আব্দুর রাজ্জাক (৪০) তার স্ত্রী মায়া খাতুন (৩৫), ছেলে আমানুলৱাহ(১০), রাকিবুল (৬মাস) ইউনুচ গাজী (৪৫), ছায়েরা খাতুন (৪৫), রাবেয়া (৩৫) হালিমা খাতুন (৫০), শাহিনুর (৪০), আলামিন (২৮), সিরাজুল (৩০), রহিমা খাতুন (৪৫), হাবিবুল্যাহ (১০), আবু বক্কার (৫০) আহতদেরকে ট্রলারযোগে খোলপেটুয়া নদী পার করে আশংকাজনক অবস'ায় শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাস'ল থেকে ফিরে গাবুরার ডুমুরিয়ার খেয়া ঘাটে সাংবাদিকরা পৌছালে সেখানে অবস'ানরত আবিয়ার মেম্বরের সাথে কথা হলে তিনি হামলা চালানো ঘটনায় উপসি'ত থাকা ও ভুমিহীন নেতা আঃ রাজ্জাক সহ তিন জনের অপহরণের কথা স্বীকার করেন। এছাড়া শ্যমনগরের কর্তব্যরত সাংবাদিক সহ শ্যামনগর থানা পুলিশের সামনে মেম্বর আবিয়ার উদ্ধত্যপূর্র্ণ আচরণ দেখিয়ে অপহৃত রাজ্জাককে ধরে চালান দেওয়ার জন্য ভাই (শ্যামনগরের আলোচিত আঃ লীগ নেতা) বলে দিয়েছে বলে শ্যামনগর থানার এসআই মহিদুল ইসলামকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আহসান হাবিব জানান, ঘটনাস'লে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় যেই অপরাধী হোক তার বির্বদ্ধে আইনগত ব্যবস্তা নেওয়া হবে।
প্রত্যক্ষদর্শী স'ানীয় কুলসুম বিবি (৪০), রবিউল ইসলাম (৪২), হালিমা খাতুন (৩৫) জানান, গতকাল রোববার সকাল ৮ টার দিকে ডুমুরিয়া গ্রামের গহর আলীর পুত্র গাবুরা ইউপি মেম্বর আবিয়ার রহমান ও নওশের আলীর নেতৃত্বে দা, কুড়াল, গরানের লাঠি সহ দেড় শতাধিক ভাড়াটিয়া বাহিনী নিয়ে সুন্দরবন সংলগ্ন খোলপেটুয়া আর কপোতক্ষের নদীর তীরে গড়ে উঠা দ্বীপ নামে খ্যাত শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নের ঘোপের পাড় নামক ভূমিহীন পলৱীতে হামলা চালিয়ে ৩টি ঘর ভাংচুর , ১টি তে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া ভূমিহীন পলৱীর মধ্যে ছোট-বড় ৪/৫টি ঘেরের রাস্তা কেটে একাকার করে দেয়। ৩২ বিঘা খাস জমির উপর ৩০টি ভূমিহীন পরিবার সরকারী কাগজপত্র করে দীর্ঘ ৩০/৪০ বছর বসবাস করে আসছে। স'ানীয় মহিলা মেম্বর ফরিদা পারভীন জানান, গাবুরা ইউনিয়নের ঘোপের খালের পাড়ে ৮২ বিঘা খাস জমি আছে। তার মধ্যে ৩২ বিঘা জমি ৩০টি ভূমিহীন পরিবার বৈধ কাগজপত্র করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে। পাশে ৫০ বিঘার সরকারী সম্পত্তি জোরপূর্বক মেম্বর আবিয়ার রহমান দখল পূর্বক চিংড়ী ঘের করে রেখেছেন। আবিয়ার রহমান ভূমিহীনদের উচ্ছেদ করে ওই সরকারী ৮২ বিঘা জমি নিজের দখলে আনার জন্য এ ধরনের তান্ডব লীলা চালিয়েছে ভূমিহীনদের উপর। তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় নারী শিশু সহ ২০ জন আহত হয়েছে। স'ানীয় চেয়ারম্যান জি,এম মাছুদুল আলম ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এ ধরনের বর্বরচিত হামলাকারী সন্ত্রাসীদের বির্বদ্ধে ব্যবস'া না নেওয়া হলে গাবুরা ইউনিয়নের সাধারন কোন মানুষ এদের কবল থেকে রক্ষা পাবে না। বিশিষ্ট সমাজ সেবক সাবেক ইউপি সদস্য আঃ মজিদ জানান, ভুমিহীনরা দীর্ঘ ৩০/৪০ বছর বসবাস করছে, এ সন্ত্রাসীরা তিনবার ভুমিহীনদের উপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। গত শুক্রবার এ বিষয় নিয়ে শ্যামনগর থানায় শালিশী হলে শ্যামনগর থানা অফিসার ইনচার্জ আহসান হাবিব উভয় পক্ষকে স্ব স্ব স'ানে থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। এ ঘটনায় শ্যামনগর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা হলেন, ভূমিপলৱীর সভাপতি মোঃ আব্দুর রাজ্জাক (৪০) তার স্ত্রী মায়া খাতুন (৩৫), ছেলে আমানুলৱাহ(১০), রাকিবুল (৬মাস) ইউনুচ গাজী (৪৫), ছায়েরা খাতুন (৪৫), রাবেয়া (৩৫) হালিমা খাতুন (৫০), শাহিনুর (৪০), আলামিন (২৮), সিরাজুল (৩০), রহিমা খাতুন (৪৫), হাবিবুল্যাহ (১০), আবু বক্কার (৫০) আহতদেরকে ট্রলারযোগে খোলপেটুয়া নদী পার করে আশংকাজনক অবস'ায় শ্যামনগর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাস'ল থেকে ফিরে গাবুরার ডুমুরিয়ার খেয়া ঘাটে সাংবাদিকরা পৌছালে সেখানে অবস'ানরত আবিয়ার মেম্বরের সাথে কথা হলে তিনি হামলা চালানো ঘটনায় উপসি'ত থাকা ও ভুমিহীন নেতা আঃ রাজ্জাক সহ তিন জনের অপহরণের কথা স্বীকার করেন। এছাড়া শ্যমনগরের কর্তব্যরত সাংবাদিক সহ শ্যামনগর থানা পুলিশের সামনে মেম্বর আবিয়ার উদ্ধত্যপূর্র্ণ আচরণ দেখিয়ে অপহৃত রাজ্জাককে ধরে চালান দেওয়ার জন্য ভাই (শ্যামনগরের আলোচিত আঃ লীগ নেতা) বলে দিয়েছে বলে শ্যামনগর থানার এসআই মহিদুল ইসলামকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকে। শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ আহসান হাবিব জানান, ঘটনাস'লে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তবে এ ঘটনায় যেই অপরাধী হোক তার বির্বদ্ধে আইনগত ব্যবস্তা নেওয়া হবে।
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)


