শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০১৩

কুমারখালীতে উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে স্বরস্বতী পূজা উদ্যাপন


শরীফুল ইসলাম কুমারখালী : কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্যে দিয়ে স্বরস্বতী পূজা উদ্যাপিত হয়। গতকাল দিনের শুরু থেকে বিভিন্ন পূজা মন্দির ও পারিবারিক ভাবে স্বরস্বতী পূজা আচার অনুষ্ঠানাদি শুরু হলেও আনুষ্ঠানিক ভাবে সকাল ১১ টা থেকে দুপুর ১ টার মধ্যে কুমারখালীর ঐতিহ্যবাহী পাইলট বালিকা বিদ্যালয় এবং এম এন পাইলট বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আনুষ্ঠানিক ভাবে বিদ্যার স্বর্গীয় দেবী স্বরস্বতীর সন্তুষ্টি লাভে বিদ্যাবান, বিদ্যাবর্তী হওয়ার বাসনায় ফুল, ফল সহ পূজা উপকরণীয় দ্রবাদী উপস্থাপন করে পূজার আনুষ্ঠানিকতা পূর্ণ করে। বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবুল কাশেম, সহকারি প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার মদক, অমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস, রতœা রাণী দে এবং এম এন হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শহিদুল ইসলাম, অসীত কুমার বিশ্বাস, সাধন কুমার পাল, প্রশান্ত কুমার

কর্মসংস্থান ব্যাংকের কুষ্টিয়া অঞ্চলের আলোচনা সভা

ষ্টাফ রিপোর্টার : কর্মসংস্থান ব্যাংকের কুষ্টিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ে শাখা ব্যবস্থাপক ও মাঠকর্মী ব্যবসায়ীদের এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯টায় এনএসরোডস্থ কুষ্টিয়া আঞ্চলিক কার্যালয়ে আলোচনা সভা ২০১৩ অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কর্মসংস্থান ব্যাংকের মহা ব্যবস্থাপক (প্রশাসন) গান্ধী কুমার রায়। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-ব্যবস্থাপক (ঋণ ও অগ্রীম বিভাগ) আব্দুল মান্নান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক ব্যবস্থাপক (কুষ্টিয়া) মাকসুদা নাসরীন। অনুষ্ঠানে অত্র অঞ্চলের মাগুরা, ঝিনাইদহ, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা

বিজিবি’র অভিযানে মোটর সাইকেল ও বিদেশী মদ উদ্ধার


হাওয়া ডেস্ক : ৩২ বিজিবি’র সদস্যরা গত ১৪ ফেব্র“য়ারি মেহেরপুর জেলার সদর উপজেলায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ০৫ বোতল বিদেশী মদ, ০২ সীমসহ মোবাইল সেট, ০১ টি হিরো মোটর সাইকেল এবং অদ্য ১৫ ফেব্র“য়ারি ২০১৩ তারিখে কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলায় সীমান্তবর্তী এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১২ বোতল বিদেশী মদ উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য এবং মালামালের মূল্য এক লক্ষ তিপ্পান্ন হাজার পাঁচশত টাকা।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৩২ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের বাজিতপুর বিওপির নায়েব সুবেদার মোঃ বোরহান উদ্দিন এর নেতৃত্বে একটি টহল দল গত ১৪ ফেব্র“য়ারি ২০১৩ তারিখ ১৮৩০ ঘটিকায় মেহেরপুর জেলার সদর উপজেলার বাজিতপুর গ্রামের মাঠে অভিযান চালায়। সে সময় জনৈক বাংলাদেশী টহল দলের চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে তার মোটর সাইকেল ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে উক্ত মোটর

সরকার গণমাধ্যমের কন্ঠরোধ করার অচেষ্টায় লিপ্ত : লেবার পার্টি


হাওয়া ডেস্ক : লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান বলেছেন- সরকার বিরোধী রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের পাশাপাশি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশ বাধাগ্রস্থ করতে গণমাধ্যমের কন্ঠরোধ করার অপচেষ্টায় লিপ্ত। অতীতে আওয়ামীলীগ সরকার দলীয় মুখপত্র হিসাবে চারটি পত্রিকা রেখে সকল সংবাদপত্র বন্ধ করেছে। ইতিমধ্যে চ্যানেল ওয়ান, যমুনা টিভি, শীর্ষ নিজউসহ অসংখ্য মিডিয়া বন্ধ করা হয়েছে। আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমানকে হয়রানি মূলক মামলা দিয়ে দুমাস অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে। এখন নতুন করে আরো কয়েকটি মিডিয়া বন্ধের ষড়যন্ত্র চলছে। গণমাধ্যম ও বিরোধীদল দমন করে সরকার মূলত গণতন্ত্রের লেবাসে ডিজিটাল কায়দায় বাকশালী শাসন কায়েম করতে

হাউজিং প্রিমিয়ার লীগের উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার : কুষ্টিয়ায় হাউজিং প্রিমিয়ার লীগের উদ্বোধন হয়েছে। গতকাল শুক্রবার সকালে শহরের হাউজিং সি ব¬ক ঈদগাহ মাঠে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। উদ্বোধনী খেলায় পার্টনার বয়েস ১৩ রানে জয়ী হয়। খেলায় পার্টনার বয়েস টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। তারা ৮ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৬৩ রান সংগ্রাহ করে। জবাবে দারুল ইহসান ইউনিভারসিটি কুষ্টিয়া ক্যাম্পাস ৮ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ৫০ রান সংগ্রহ করে। এতে ১৩ রানে জয়ী হয় পার্টনার বয়েস। এ লীগের হাউজিং-এর ৬টি দল অংশ্রগহণ করছে।

২৯ মার্চের জাতীয় মহাসমাবেশেই প্রমাণ হবে

হাওয়া ডেস্ক : ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দেশের মানুষ অনেক পট পরিবর্তন দেখেছে, অনেক দলের শাসন দেখেছে, কিন্তু ক্ষমতালোভী শাসকগোষ্ঠীর আচরণে দেশবাসী হতাশ। সন্ত্রাস-কালোটাকা নির্ভর রাজনীতি ও বিদেশনির্ভর ক্ষমতা দখলের প্রতিযোগীতায় সাধারণ মানুষ রাজনীতিবিদদের উপর চরমভাবে ক্ষুব্ধ। এ অবস্থার উত্তরণ ঘটাতে জনসাধারণের স্থায়ী শান্তির ব্যবস্থা হিসেবে আল্লাহর রসূল হযরত মুহাম্মাদ স. ইসলামী খেলাফতব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর বিপরীত

কুষ্টিয়া পৌর বিজয় উল্লাস চত্বরে শত শত মানুষ


হাওয়া ডেস্ক : ৯ম দিনও মানুষের পদচারনায় রাজাকারদের ফাঁসির দাবীতে গণজমায়েত থেকে গণজাগরনের পরিণত হয় কুষ্টিয়া পৌর বিজয় উল্লাস চত্বর। শিশু, নারী-পুরুষ সহ শ্রেণী পেশার মানুষ জমায়েত হয়। ৭১-এর যুদ্ধ চলাকালীন সময় যারা এদেশের মা-বোনের ইজ্জত হরণ করেছে এবং পাকিস্তানিদের দিয়ে এ রকম ঘৃণিত কর্মকান্ড সাথে জরিত ছিল। এদেশের শ্রেষ্ট সন্তান যারা একাত্তরে দেশের জন্য সর্বোচ্চ ত্যাগ করে জীবনের বাজি রেখে পাক-হানাদার ও দোসরদের প্রতিহত করতে ঝাপিয়ে পরেছিল সেই সব মুক্তিযোদ্ধাদের নির্মম ভাবে হত্যা করেছে তাদের বিচার এই বাংলার মাটিতেই হবে। ধর্মমত ভেদাভেদ ভূলে সকলেই একটায় দাবী ৭১ এর যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চাই। সকলের শ্লোগানে শ্লোগানে পৌর বিজয় উল্লাস চত্বর মূখরিত করে তোলে জামাত-শিবির রাজাকার, এই মূহুর্তে বাংলা ছাড়। আমার মাটি, আমার মা, পাকিস্তান হবে না। স্বাধীন বাংলাই