বৃহস্পতিবার, এপ্রিল ১৭, ২০১৪

শফিকুল আলম মোল্লাকে শুক্রবার গুণীজন সম্মাননা দেওয়া হবে

শরীফুল ইসলাম, কুমারখালী ঃ ১৮ই এপ্রিল শুক্রবার বিকাল ৪ ঘটিকায় কেন্দ্রীয় পাবলিক লাইব্রেরী ঢাকা সেমিনার হল শাহবাগ শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের উদ্যোগে শেরে বাংলার ৫২ তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও গুণীজন সম্মাননা সভার আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত অনুষ্ঠানে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলা গোপগ্রাম ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা মোঃ শফিকুল আলম মোল্লাকে সফল ও শ্রেষ্ঠ চেয়ারম্যান হিসেবে বিশেষ অবদানের জন্য শেরে বাংলা স্বর্ণ পদক ২০১৪’র সম্মাননা প্রদান করা হবে। গুণীজন সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থাকবেন, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক প্রধান বিচারপতি এম তাফাজ্জল

খোকসায় বই পাঠ প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান

১লা বৈশাখ ১৪২১ বাংলা শুভ নববর্ষ উপলক্ষে খোকসার শিমুলিয়া মোল্লপাড়া গ্রামে শহীদ রউফ -রেজা স্মৃতি পাঠাগারের উদ্যোগ সকাল ১০ টায় লিয়াকত আলী উম্মুক্ত মঞ্চ প্রাঙ্গণে গ্রন্থাগারে বই পাঠ প্রতিযোগিতা ও পুরষ্কার বিতরনী সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন কিশোর হাফেজ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। মোঃ সাইফুর রহমান আল-আমিন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি পরিচালত হয়। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন পাঠাগারের সভাপতি মোঃ আব্দুল মোতালেব। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রনীতি ও লোকপ্রশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ লুৎফর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শিমুলিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোহাঃ আশরাফুজ্জামান ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা মোঃ ছাদেকুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও বৃক্ষপ্রেমী মোঃ লিয়াকত আলী। অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি গ্রন্থাগারে বই পাঠ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহনকারী ও বিজয়ীদের মধ্যে সনদপত্র ও পুরষ্কার বিতরন করেন। উল্লেখ্য যে, মুক্তিযুদ্ধ, বাংলাদেশের ইতিহাস-সংস্কৃতি, গল্প,

আজ ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস

আক্তারুজ্জামান, মেহেরপুর : আজ ১৭ এপ্রিল। ঐতিহসিক মুজিবনগর দিবস। আজ থেকে ৪৩ বছর আগে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল শনিবার বেলা ১১ টার দিকে মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে এক অনাড়ম্বর পরিবেশে অনুষ্টিত হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহন। শপথ অনুষ্ঠানে পাঠ করা হয় স্বাধীনতার ঘোষনা পত্র। স্বাধীনতার মহামন্ত্রে উদ্বীপ্ত বাঙালী ও ১২৭ জন দেশী বিদেশী সাংবাদিকের উপস্থিতিতে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালীন মন্ত্রী সভার সদস্যদের পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। পরিচয় অনুষ্টানের সাত দিন আগে ১০ এপ্রিল ”৭১ এ গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠনের ঘোষনা প্রদান করা হয়। যার নামকরন হবে বিপ্লবী সরকার। বৈদ্যনাথতলা ছিল এক অপরিচিত গ্রাম। ১৭ এপ্রিল ”৭১ এ বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের শপথ গ্রহন অনুষ্টানে মেহেরপুরের এই গ্রামটির নামকরন করা হয় মুজিবনগর। শপথ অনুষ্টানে প্রধানমন্ত্রী তাজউর্দ্দীন আহমেদ ঘোষনা করেন,আজ থেকে(১৭ এপ্রিল) বৈদ্যনাথ তলার নাম হবে মুজিবনগর।
১৬ এপ্রিল রাতের মধ্যেই তৎকালীন সময়ের জাতীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হতে থাকে সীমান্ত জেলা মেহেরপুরে। জেলার স্বাধীনতাকামী মানুষের মাঝে বিরাজ করে এক পুলকিত অনুভব। উদ্বেগ আর উত্তেজনার প্রহর কাঁটে। আকাশে কালো মেঘ জমে। রাতের নিস্তদ্ধতা বেয়ে বৃষ্টি নামে মহাকুমার সমগ্র এলাকা জুড়ে। এ যেন নিদ্রাহীন অপেক্ষমান বাঙালি জাতীর জন্য প্রকৃতির এক নিরব আর্শিবাদ। অপেক্ষার পালা শেষ। এক সময় রাএী পোহায়। মেহেরপুরের নীল আকাশে উদিত হয় নতুন প্রত্যয়দীপ্ত সূর্য। আসে সেই স্বর্ণাক্ষরে লেখা তারিখ ১৭ এপ্রিল। বাঙালী জাতির কাংক্ষিত স্বাধীন রাষ্ট্রের সরকার প্রতিষ্ঠার সেই স্মরনীয় দিন। বৈদ্যনাথতলার আম্রকুঞ্জের ছায়ায় নিরাভারন,অনাড়ম্বর কিন্তু গভীর আন্তরিকতা দিয়ে আয়োজিত অনুষ্টান স্থলে পাশ্ববর্তী এলাকা থেকে সংগৃহিত হয়েছিল চেয়ার বেঞ্চ। সংগৃহিত এসব চেয়ার বেঞ্চের বেশির ভাগই ছিল পুরানো। কোনটির হাতল ভাঙ্গা, ছিল পায়াভাঙ্গা,ছিলনা চাকচিক্যতা। আর এসব আসনে বসে ছিলেন,সেদিন বাঙালী জাতীর স্বাধীনতার অগ্রদূতরা,স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারের মন্ত্রীবর্গ। পূর্বের রাতের(১৬ এপ্রিল) বৃষ্টি ভেঁজা আম্রকুঞ্জের ভারি বাতাসকে ফাঁকি দিয়ে ওঠা সূর্যের পরিচ্ছন্ন আলোয় বৈদ্যনাথতলা যখন আলোয় উদ্ভাসিত, তখন সকাল গড়িয়ে দুপুর। সোনালী রোদে জড়ো হওয়া হাজার হাজার স্বাধীনতাকামী মানুষ অগ্রগামী সঙ্গীতের প্রত্যাশায় উন্মুখ। অপেক্ষার পালা শেষ করে এলো সেই মহেন্দ্রক্ষন। শুরু হলো মূল অনুষ্টান। পৃথিবীর মানচিত্রে আনুষ্ঠানিকভাবে অভ্যূদয় হলো একটি নতুন দেশের। সমগ্র বিশ্ববাসী জানলো মুজিবনগর স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী রাজধানী। আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের ঘোষনাপত্র পাঠ এবং নব-গঠিত মন্ত্রীসভার শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত হলো। এ সময় উপস্থিত হাজার

পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধে কমিউনিটী পর্যায়ে পুলিশ ও গ্র“প সদস্যদের সাথে মতবিনিময় সভা

গত কাল ১৬ মার্চ’১৪ ইং তারিখে মুক্তি নারী ও শিশু উন্নয়ন সংস্থার উদ্যোগে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় পারিবারিক সহিংসতা কমিয়ে এনে নারী অধিকার উন্নয়ন প্রকল্পের কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের সাঁওতা কারিগরপাড়ায় কমিউনিটী পর্যায়ে পুলিশ ও গ্রুপ সদস্যদের সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মত বিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন চাপড়া ইউনিয়ন পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সদস্য ডা: আবু সাঈদ আমানুল্লাহ। অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাঁধ বাজার ক্যাম্প ইনচার্জের প্রতিনিধি মো: মোস্তাফিজুর রহমান ও সাঁওতা কারিগরপাড়া জামে মসজিদের সভাপতি সামছুল আলম, চাপড়া ইউপি সদস্য অরিনা হক, সমাজ সেবক নুরুদ্দিন, পারিবারিক নির্যাতন প্রতিরোধ কমিটির সদস্য আবু তালেব খাগছার। সাব নিকাহ রেজিষ্ট্রার ডা: আব্দুল জলিল। সভায়

দৌলতপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় ৩ টি বাড়ি ভাংচুর আহত ৫

দৌলতপুর প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার বোয়ালিয়া ইউনিয়নের গোয়ালগ্রাম মোল্লাপাড়া গ্রামে প্রতিপক্ষের লোকজন ৩ টি বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। এ সময় ৫ জন আহত হয়েছে। প্রাণভয়ে ৩ টি পরিবারের লোকজন অন্যত্র পালিয়ে গেছে।  প্রত্যক্ষদর্শী ও ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা জানায়, গোয়ালগ্রাম মোল্লাপাড়া গ্রামের ফজলুর রহমানের পরিবারের সাথে দুলু মোল্লার পরিবারের জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে মঙ্গলবার রাত ৮ টার দিকে দুলু মোল্লা, জিনার, একরামূল, মহিবুল, আসমত, ও উজ্জল সহ ১৫/১৬ জন ধারালো অস্ত্র ও লাঠিসোটা নিয়ে ফজলুর রহমান, বল্টু ও জনির বাড়িতে অতর্কিতে হামলা করে দরজা, জালানা, আসবাবপত্র, পানির ট্যাংক,ভাংচুর করে। এবং ৮

রবিবার, এপ্রিল ১৩, ২০১৪

এ্যাড.আব্দুল আওয়ালের দাফন সম্পন্ন ॥ শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় সাবেক এমপির বিদায়


ষ্টাফ রিপোটার : কুমারখালী-খোকসা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাড. আব্দুল আওয়াল এর দাফন সম্পন্ন হয়েছে। গতকাল বাদ আছর পান্টি হাই স্কুল মাঠে ২য় নামাজে জানাযা শেষে পান্টি গোরস্থানে দাফন করা হয়। এর আগে ক-খোকসার সাবেক সংসদ সদস্যর জানাযায় অংশ নিতে এবং শেষ বারের মত দেখতে দূর দুরান্ত থেকে মানুষ হাজির হন নামাজে জানাযা স্থলে। দল মত নির্বিশেষে হাজির জেলা ও উপজেলার বিভিন্ন রাজনৈতিক ব্যাক্তী। জানাযা পূর্বে এ্যাড. আব্দুল আওয়াল এর স্বৃতি চারন করে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি কুমারখালী-খোকসা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী, জেলা পরিষদের প্রশাসক জাহিদ হোসেন জাফর, কুষ্টিয়া পৌর মেয়র আনোয়ার আলী, কুমারখালী উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খান, কুষ্টিয়া সরকারী কলেজের সাবেক ভিপি জয়নাল আবেদীন। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক মিয়া এ্যাড.মিয়া মোহাম্মাদ রেজাউল হক, কুমারখালী থানা বিএনপির সাধারণ সম্পাদদক এ্যাড.কুতুবুল আলম নতুন, সহ সভাপতি এ্যাড.আব্দুল ওয়াদুদ মিয়া, কুমারখালী উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আফজাল হুসাইন, কুমারখালি পৌর মেয়র সামসুজ্জামান অরুন, কুমারখালি সাবেক পৌর মেয়র নুরুল ইসলাম আনসার প্রামানিক, পান্টি ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজুর রহমান, জেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মঈদ বাবুল, কুমারখালী থানা যুবদলের সভাপতি আল কামাল মোস্তফা, থানা সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নুরুল ইসলাম আসাদ, জেলা কৃষকদল নেতা মোকারম হোসেন মোকা, জেলা যুবদল নেতা খন্দকার সামসুজ্জোহা লাল্টু প্রমুখ। উল্লেখ্য, এ্যাড. আব্দুল আওয়াল মিয়া দীর্ঘদিন যাবত দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ছিলেন।

ইবি ছাত্রদল নেতা কামরুলের শয্যাপাশে মেহেদী রুমী


ষ্টাফ রিপোটার : ছাত্রলীগের হামলায় আহত ইবি ছাত্রদলের অর্থসম্পাদক কামরুল ইসলামকে দেখতে গতকাল সন্ধ্যায় কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে যান বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পুনর্বাসন বিষয়ক সম্পাদক কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি কুমারখালী-খোকসা আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী। এসময় তিনি তার শারীরিক খোজখবর নেন এবং শয্যাপাশে কিছু সময় কাটান। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন ইবি শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি প্রফেসর ড.তোজাম্মেল হোসেন, জিয়াউর রহমান হলের প্রভোষ্ট প্রফেসর ড. রুহুল আমিন ভুইয়া, জেলা বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক আব্দুল মঈদ বাবুল, জেলা কৃষকদল নেতা মোকারম হোসেন মোকা, জেলা যুবদল নেতা খন্দকার সামসুজ্জাহিদ, শহর ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুর রহমান মিথুন, প্রচার সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম অনিক, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক মাহবুল ইসলাম প্রমুখ।  উল্লেক্ষ্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আটককৃত নেতাকর্মীদের মুক্তির দাবিতে ছাত্রদলের