রবিবার, নভেম্বর ৩০, ২০১৪

মুজিবনগরে প্রত্যাশা-২০২১ ফোরামের জাতীয় কাউন্সিল

ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে প্রত্যাশা ২০২১ ফোরাম কাজ করে যাচ্ছে
---------- ব্যারিষ্টার আমিরুল

আকতারুজ্জামান, মেহেরপুর : প্রত্যাশা ২০২১ ফোরামের সপ্তম জাতীয় কাউন্সিল ২০১৪ শুক্রবার বিকালে মুজিবনগর কমপ্লেক্সর শেখ হাসিনা মঞ্চে অনুষ্ঠিত হয়েছে। পরে একই মঞ্চে “আমার স্বপ্নের বাংলাদেশ” শীর্ষক নাগরিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। একুশে ফোরামের সভাপতি মাহিদুল হক খাঁনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন সংবিধান প্রণেতা ও বিশিষ্ট সিনিয়র আইনজীবি ব্যারিষ্টার এম আমিরুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, রুপালী ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক (জিএম) ড. আহমেদ আলী কবীর। নাগরিক সমাবেশে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে ব্যারিষ্টার এম আমিরুল ইসলাম বলেন, ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষে প্রত্যাশা ২০২১

মেহেরপুরে পরিবেশকের টাকা ছিনতাই আলগামন চালক আটক : ছিনতাই হওয়া টাকা উদ্ধার

মেহেরপুর প্রতিনিধি :  ছিনতাই নাটকের একদিন পর ১৩ হাজার টাকাসহ প্রতারক আলগামন চালক রাসেল (২০) কে আটক করেছে মেহেরপুর সদর থানা পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে রাসেলকে তার বাড়ি থেকে আটক করার পর তার স্বীকারোক্তী মোতাবেক শশুর বাড়ি গাংনী উপজেলার চিৎলা গ্রামের ঝান্টু ডাকাতের বাড়ি থেকে ১৩ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। বাকী টাকা উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত। রাসেল মেহেরপুর শহরের গোরস্থান পাড়া এলাকার ছেলে। এর আগে শুক্রবার বিকালের দিকে রাসেলের স্ত্রী ঝুমুর খাতুন (১৮) ও তার শাশুড়ী ঝন্টু ডাকাতের স্ত্রী আনিছন নেছাকে সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টীম চিৎলা গ্রামে অভিযান চালিয়ে আটক করে সদর থানায় নেন।  সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল হোসেন বাংলানিউজকে জানান, মেহেরপুর গোরস্থানপাড়া এলাকার জামাল উদ্দীনের ছেলে রাসেল দীঘিরপাড়া এলাকার শরীফুল ইসলামের ছেলে সুমন মেহেরপুর শহরের প্যরাস্যুটের পরিবেশক খোকন স্টোরের কর্মচারী। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে গাংনী উপজেলার বিভিণœ এলাকা থেকে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকা উত্তোলন করে ফেরার সময় ছিনতাই নাটক তৈরী করে। পরে খোকনের স্টোরের মলিক খোকন সদর থানায় একটি ছিনতাই মামলা দায়ের করেন। যার নং ৩১ তারিখ-২৭-১১-১৪ ইং। এ ঘটনায় খোকন স্টোরের নিজস্ব আলগামন

সভাপতি ও সম্পাদক সহ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নিরুস্কুস বিজয়

মেহেরপুরে জেলা আইনজীবী পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন

আকতারুজ্জামান, মেহেরপুর : মেহেরপুরে জেলা আইনজীবী পরিষদের নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের এ্যাড. আনোয়ার হোসেন সভাপতি ও  এ্যাড. আসাদুল আযম খোকন সাধারণ সম্পাদক সহ ১১ জন বিজয়ী হয়েছেন। অপর দিকে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদে সহ-সভাপতি পদে এ্যাড. আব্দুল কুদ্দুস সহ ৪ জন বিজয়ী হয়েছেন।  শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে জেলা আইনজীবী পরিষদের কার্যালয়ে ভোট গ্রহণ শুরু হয়ে  বিকেল সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত চলে । নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এ্যাড. আব্দুর রাজ্জাক ও নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দাযিত্ব পালন  করেন এ্যাড. বিমল কুমার বিশ্বাস। নির্বাচনে আওয়ামী আইনজীবী পরিষদে সভাপতি পদে এ্যাড.

গাংনীর গাঁড়াডোব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবৈধ শিক্ষক নিয়োগ বাতিলের দাবীতে মানবন্ধন

গাংনী প্রতিনিধি : গাংনীর গাঁড়াডোব মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে অবৈধভাবে নিয়োগ করা শিক্ষককে বাতিল, প্রধান শিক্ষক কর্তৃক আত্মসাৎ করা উপবৃত্তির টাকা ফেরত ও দূর্ণীতিবাজ প্রধান শিক্ষকের অপসারনের ৃদাবীতে মানব বন্ধন করেছে এলাকাবাসি ও অভিভাবকরা। বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সদস্যদের আয়োজনে আজ শনিবার সকাল ১১ টার সময় মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের গাঁড়াডোব বাজার এলাকায় প্রায় আধা ঘন্টা ব্যাপি দীর্ঘ এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানব বন্ধন চলাকালিন সময়ে প্রধান শিক্ষক আব্দুল মান্নানের অপসারনের দাবীতে বক্তব্য রাখেন, ম্যানেজিং কমিটির সদস্যআবুল কাশেম, আব্দুল বারী, আবু বক্কর স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি ইকতার আলী, আলতাব হোসেন, মফিজুল ইসলাম, আব্দুর রাজ্জাক, স্থানীয় যুবলীগ নেতা টোকন। এর আগে বিদ্যালয়ে অবৈধভাবে মোটা অংকের টাকা নিয়ে বাণিজ্যের মাধ্যমে নিয়োগকরা ২ জন শিক্ষককে বাতীলের দাবীতে ম্যানেজিং কমিটির সদস্য আবুল কাশেম বাদী হয়ে মেহেরপুর কোর্টে একটি মামলা দায়ের করেছেন। যার নং ৯৮/১৪। উল্লেখ্য,

খলিসাকুন্ডি মাদক ও ডাকাতদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান ব্যপক

খলিসাকুন্ডি প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিসাকুন্ডি মাদক ব্যবসা ও ডাকাতদের বিরুদ্ধে পুলিশের অভিযান ব্যপক। এলাকা ঘুরে দেখা গেছে গত কয়েকদিনের খলিসাকুন্ডি পুলিশ ক্যাম্পের এস.আই মামুন ও তার সঙ্গিও ফোর্সের অভিযানে মাদক ব্যবসা ও সেবনকারীর সংখ্যা অনেকটা কমে গেছে। কিছু দিন আগেও  খলিসাকুন্ডি গ্রামের বিভিন্ন স্থানে ডাকাত ও মাদক ব্যাবসায়ীরা বেপরোয়া হয়ে উঠে ছিল। ফলে গ্রামবাসি দিনের পর দিন হতাসার মধ্যে সময় কাটাচ্ছিল এমনকি গ্রাম ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি পর্যন্ত নিয়েছিল অনেকেই। ঠিক সেই সময় মাদক ও ডাকাতদের বিরুদ্ধে

বিজিবির অভিযানে বিদেশী মদ ও ফেন্সিডিল উদ্ধার

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ৪৭ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বাজিতপুর, প্রাগপুর এবং চিলমারী কোম্পানী’র কমান্ডার নায়েব সুবেদার মোঃ জাকির হোসেন, সুবেদার এবি সিদ্দিক এবং সুবেদার আব্দুল হাই এর নেতৃত্বে ০৩টি টহল দল ২৮ নভেম্বর ২০১৪ রাতে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ৬০ বোতল বিদেশী মদ ও ৪৪ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্যগুলো ধবংসের নিমিত্ত্বে ৪৭ বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন সদরে জমা করা হয়েছে। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

শনিবার, নভেম্বর ২৯, ২০১৪

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষন

কুষ্টিয়ায় কোচিং সেন্টারের  নামে চলছে রমরমা ব্যবসা

স্টাফ রিপোর্টার : কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন অলিতে গলিতে রমরমা ভাবে চলছে কোচিং সেন্টারের ব্যবসা। এসকল কোচিং সেন্টারের কারনে নষ্ট হচ্ছে মেধা ও শিক্ষার মান। নজর নেই প্রশাসনের মাথা ব্যাথা নেই শিক্ষা অফিসার সহ অভিভাবকদের। শহরের প্রাণ কেন্দ্র কাটাই খানা মোড় এবং শহরের বিভিন্ন যায়গায় গড়ে উঠেছে ব্যাঙের ছাতার মতো অল্প দিনে বড় লোক হওয়ার কোচিং ব্যবসা। শিক্ষার মান কমে যাওয়ার কারনে আজ ছাত্ররা ছুটে যাচ্ছে এই সব কোচিং এর দিকে। এ ধরনের সুযোগ লুটে নিচ্ছে কিছু সংখ্যক অসাধু কোচিং ব্যবসায়ীরা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বা কোচিং এর জন্য যে লাইসেন্স প্রয়োজন সেটা কেউ কেউ  জানে, কিন্তু মানে না। আবার কেউ  জানেই না যে কোচিং এর জন্য শিক্ষা অফিস থেকে লাইসেন্স নিতে হই। এসকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দেখা যায় শিক্ষকরা ছাত্রদের থেকে বয়স কম এবং শিক্ষাগত যোগ্যতাও কম। তেমনিভাবে কাটাইখান মোড় সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকরা বি.এস.এস পড়ারত অবস্থায় এবং হাতে গোনা তিন চার জন শিক্ষক নিয়ে কুষ্টিয়া পলিটেনিক্যাল, ও বিশ্ববিদ্যালয় এর এ্যাডমিশন ব্যাচের ক্লাস নেয় শিক্ষক নিয়োগ পরিক্ষার ১০০% প্রশ্ন কমনের নিশ্চয়তা দিয়ে এভাবেই চলছে কোচিং এবং স্কুল ব্যবসা। এছাড়াও দুর্নীতির ভেজালে পরিনত বিশেষ করে  বজলুর মোড়ে ওরাকল স্কুল এন্ড কোচিং সেন্টার, কাটাইখানা মোড়ে এডুকেয়ার কোচিং সেন্টার, প্রাইম কোচিং এন্ড ল্যাবরেটরী স্কুল, স্যার ইকবাল রোডের এ্যাক্সিলেন্ট কোচিং ও স্ট্যাডি পয়েন্ট, আফু চেয়ারম্যান গলির সৃজন কোচিং, হাসপাতাল মোড়ের ইউনিমিণ কোচিং। এ সকল প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বড় বড় বিসিএস ক্যাডার শিক্ষকদের ম্যানেজ করে তাদের নাম লিফলেটে লিখে তা ঢালাও ভাবে প্রচার শুরু করে। যাতে ছাত্র এবং অভিভাবকরা আকৃষ্ট হন। এটাই এ সকল কোচিং ব্যবসায়ের বড় পুজি। যতগুলো শিক্ষকের নাম লিফলেটে ভর্তির আগে দেওয়া থাকে ক্লাস শুরু হলে সেই সকল শিক্ষকের চেহারা দেখা যায় না।