বুধবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০১৪

খোকসার শোমসপুর আমবাড়িয়া গোপগ্রামে চেয়ারম্যান প্রার্থী আমজাদ হোসেনের পক্ষে গনসংযোগ


ভয়ভীতির উর্দ্ধে থেকে ভোট কেন্দ্রে ব্যালটের মাধ্যমে অন্যায় অত্যাচারের জবাব দিতে হবে-------সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী

৫ জানুয়ারীর একতরফা প্রহসনের নির্বচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসা এই অবৈধ আওয়ামী সরকারকে বাংলাদেশের জনগণ আর চায় না। একারেন ২৭ তারিখের উপজেলা নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে প্রমাণ করে দিতে হবে জনগণ আওয়ামী সরকারকে আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তাই সকল প্রকার ভয়ভীতির উর্দ্ধে থেকে ভোট কেন্দ্রে ব্যালটের মাধ্যমে অন্যায় অত্যাচারের জবাব দিতে হবে। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ সমর্থিত প্রার্থীর সন্ত্রাসীরা উপজেলা বিভিন্ন ইউনিয়নে রাতের আধারে সাধারণ ভোটারদের উপর হামলা নির্যতন করে ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য নানা রকম ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। গতকাল খোকসার শোমসপুর,আমবাড়িয়া ও গোপগ্রাম ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে গনসংযোগকালে এসব কথা বলেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির ত্রাণ ও পূর্ণবাসন বিষয়ক সম্পাদক, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সভাপতি, কুষ্টিয়া জেলা ১৯ দলীয় ঐক্যজোটের আহ্বায়ক ও সাবেক এমপি সৈয়দ মেহেদী আহমেদ রুমী। এসময় তিনি আরো বলেন,

ভোটারদের আতংকের নাম খোকসা উপজেলা নির্বাচন ...

হয় ভোট নয় গায়ের চামড়া

বিশেষ প্রতিনিধি ॥ লাথি মেরে দরজা ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে ঢুকে বাড়িওয়ালাকে (গৃহকর্তা) না পেয়ে আসবাবপত্র ভাংচুর শুরু করে বাড়ির মহিলাদের উপর শাসিয়ে সবাইকে কে বলে, বাড়ির কেউ যদি ভোট কেন্দ্রে যায় তহালে তার নাড়ি ভুরি বের করে দেওয়া হবে নইতো গায়ের চামরা তুলে ফেলা হবে। এমন ভাবে আর্তনাদ করে কথা গুলো বলছিলেন উপজেলার শোমসপুর ইউনিয়নের ঢুসন্ডি গ্রামের এক গৃহবধু। শুধু ঢুসন্ডি নই আসন্ন ২৭ তারিখের উপজেলা নির্বাচন কে সামনে রেখে আতংকের জনপদে পরিণত খোকসা উপজেলা। বিশেষ করে উপজেলার শোমসপুর, আমবাড়িয়া, জয়ন্তী হাজরা, গোপগ্রাম এবং বনগ্রাম ইউনিয়েনের প্রায় প্রতিটি গ্রামে গত কয়েকদিনে মুখসধারী সন্ত্রাসীদের হামলা নির্যাতনের শিকার হয়ে সব সময় এক অজনা ভয় ও আতং বিরাজ করছে এসব অঞ্চলে। গতকাল সরেজমিনে সাংবাদিকদের একটি দল এসব এলাকা পরিদর্শনকালে দেখা যায়, এই চার ইউনিয়নের গ্রামগুলি পুরুষ শূন্য হয়ে পরেছে। প্রতিটি বাড়িতে মহিলা, বৃদ্ধ ও শিশুদের পাওয়া গেলেও তারা ভয়ে মুখ খুলতে চাচ্ছে না। তবে এসব এলাকা পরিদর্শন কালে জানা যায়, সোমবার রাতে ঢুসন্ডির কামির উদ্দিন, আব্দুল মালেক মোল্লা, শিমুলিযার আব্দুর রাজ্জাক,শিমূলিয়ার আব্দুল কাদের, ঢুসন্ডির ৯০ বৃদ্ধ হাজী আজগর আলী, আবুল হোসেন, শিমুরিয়া কারিগর পাড়ার মামুন, সামসুল আলম, আমবাড়িয়া বাজারের আব্দুস সালামসহ অসংখ্য বাড়িতে মুখসধারী সন্ত্রাসীরা রামদা,ছেন, হাত কুরাল, হাসো, বেকিসহ বিভিন্ন অস্ত্রে সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে হামলা লুটপাট নির্যাতন চালিয়ে ভোট কেন্দ্রে না যাওয়ার জন্য

বিচারের বাণি নিভৃতে কাঁদে

মিরপুরে আলোচিত জোনাকী হত্যার ৩ বছরেও বিচার পাইনি পরিবার  

স্টাফ রিপোর্টার : কুষ্টিয়ার মিরপুরে আলোচিত জোনাকী হত্যা মামলার তিন বছর অতিবাহিত হলেও আজও তার কোন কুল কিনারা হয়নি। এ নিয়ে নিহত জোনাকীর পরিবারে দেখা দিয়েছে নানা সংশয় আর হতাশা। বর্তমানে হত্যা মামলাটি কুষ্টিয়া কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। যার মামলা নং-মিস ৩২/১১। মামলার প্রধান আসামী জোনাকীর স্বামী সাইফুল, তার বাবা আবু শামা, সাইফুলের প্রথম স্ত্রী নাসিমা খাতুন, চাচা মুনজিল হোসেন, বোন বন্যা খাতুন। বর্তমানে এ মামলার প্রধান আসামী সাইফুল জামিন নিয়ে বাইরে রয়েছে। অন্য আসামীদের মধ্যে সাইফুলের বোন বন্যা খাতুন দেশের বাইরে পলাতক। জানা যায়, ২০১০ সালে মিরপুর উপজেলার ধুবইল ইউনিয়নের কাদেরপুর গ্রামের আবু শামার ছেলে সাইফুলের সাথে মিরপুর পৌর সভার সুলতানপুর গ্রামের লুৎফর রহমান বাচ্চুর ছোট মেয়ে জোনাকী খাতুনের বিয়ে হয়। প্রথম স্ত্রী থাকার পরেও জোর পূর্বক সাইফুল দ্বিতীয় বিয়ে করে জোনাকীকে। বিয়ের পর থেকে দিন যতই বাড়তে থাকে সাইফুল ততই বেপরোয়া হয়ে ওঠে। বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে কারনে অকারনে জোনাকীর উপর শুরু হয় অমানুষিক নির্যাতন। ধারা বাহিক চলতে থাকে জোনাকীর উপর নির্যাতন। সাইফুলের অমানুষিক নির্যাতনের এক পর্যায়ে মারা যায় জোনাকী। সুত্র জানায়, ২০১১ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারী সকালে জোনাকীর স্বামী সাইফুল, শশুর আবু শামা, সাইফুলের প্রথম স্ত্রী নাসিমা খাতুন, চাচা মুনজিল হোসেন, বোন বন্যা খাতুন লোহার রড, দরজার হুক,

কুমারখালী থানা জাতিয়তাবাদী তাঁতী দলের সভাপতির বাড়ীতে হামলা ভাংচুর

কুমারখালী প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন আগামীকাল বৃহস্পতিবার ২৭ ফেব্র“য়ারী। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কুমারখালীতে প্রায়ই ঘটছে হামলা, ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ। গতকাল সন্ধ্যার পর কুমারখালী থানা জাতিয়তাবাদী তাঁতী দলের সভাপতি খোন্দকার সাজেদুর রহমান টেনুর বাড়ীতে দূর্বত্তরা হামলা ও ভাংচুর চালায়।

কুমারখালীর কেশবপুরে ৭ বছরের শিশুর লাশ উদ্ধার

শরীফুল ইসলাম, কুমারখালী : গতকাল উপজেলার যদুবয়রা ইউপির কেশবপুর গ্রামে ইবার পরিত্যাক্ত বাড়ী হইতে আজমী (৭) শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। আজমী কেশবপুরের আশাদুলের ছেলে স্থানীয় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ম শ্রেনীর ছাত্র। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকাল ১১ টা থেকে আজমী নিখোঁজ হয় পরে পরিত্যাক্ত বাড়ী হতে আজমীর লাশ উদ্ধার করা হয়। কুমারখালী থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ লুৎফর রহমান জানান, প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করতে ময়না তদন্তের জন্য লাশটি পাঠানো হচ্ছে।

মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক মামলায়

ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদ’র নবাগত চেয়ারম্যান এ্যাড. তৌহিদুল ইসলাম আলম সহ বিএনপির ৭ নেতাকর্মী জেল হাজতে

মনির উদ্দিন মনির ॥ সদ্য সমাপ্ত ভেড়ামারা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের নবাগত চেয়ারম্যান, কুষ্টিয়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. তৌহিদুল ইসলাম আলম সহ বিএনপির ৭ নেতাকর্মী’র জামিন বাতিল করে জেল হাজতে প্রেরন করেছে। গতকাল মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটায় কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত’র বিচারক আশরাফুল ইসলাম তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাদের কে জেল হাজতে পাঠানোর নিদের্শ দেন। মামলার অন্যান্য আসামীরা হলেন, ভেড়ামারা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি চাঁদগ্রাম ইউপির চেয়ারম্যান জানবার হোসেন, বাহাদুরপুর ইউপি বিএনপির সাধারন সম্পাদক ওয়াজেদ আলী টুকু, ধরমপুর বিএনপির সাধারন সম্পাদক রবিউল সরকার সহ ৭ নেতাকর্মী।আদালত ও দলীয় সুত্রে জানা গেছে, গত ২৯ ডিসেম্বর ভেড়ামারা শহরের মধ্য বাজারে জাসদ অফিসে বিএনপি নেতাকর্মীরা হামলা করে। ওই ঘটনায় ভেড়ামারা উপজেলা জাসদের সাধারন সম্পাদক আনসার আলী বাদী হয়ে ভেড়ামারা থানায় ৬২ জনের নাম উল্ল্যেখসহ অজ্ঞাত আরো ৩-৪’শ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। এ মামলায় হাইকোর্ট শর্ত সাপেক্ষে গত ২০ জানুয়ারী এ্যাড. তৌহিদুল ইসলাম আলমসহ ৭ জনের ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন দেয়।গতকাল দুপুরে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এ্যাড. তৌহিদুল ইসলাম

কুমারখালীর জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপনির্বাচন ২০ মার্চ

 মনোনয়নপত্র উত্তোলন করলেন চেয়ারম্যান পত্মী উম্মে সালমা পারভীন রুনা
শরীফুল ইসলাম ॥ কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপনির্বাচন আগামী ২০ শে মার্চ। ২০১৩ সালের ৮ ই ডিসেম্বর সন্ত্রাসীদের গুলিতে ঐ ইউনিয়নের জনপ্রিয় চেয়ারম্যান থানা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ স¤পাদক মুন্সি রশিদুর রহমান নিহত হলে চেয়ারম্যান পদ শূন্য হয়। গত ২২ শে ফেব্র“য়ারী বিকেলে উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও জগন্নাথপুর ইউপি নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার আবু আনসার তফসিল ঘোষণা করেন। গতকাল দুপুরে নিহত মুন্সি রশিদুর রহমানের পতœী উম্মে সালমা পারভীন রুনা চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র উত্তোলন করেন।এসময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন জগন্নাথপুর ইউপি বিএনপি নেতা আব্দুল লতিফ সরদার,ইউপি জুবদলের আহ্বায়ক ডাঃ আব্দুল