ষ্টাফ রিপোর্টার : কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। উজান থেকে নেমে আসা পানিতে উপজেলার দুই ইউনিয়ন রামকৃষ্ণপুর ও চিলমারির ৩৭টি গ্রাম তলিয়ে গেছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় ১লাখ মানুষ। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামান্য ত্রান বিশাল অংশের মানু
ষের হাতে পৌছে দিলেও চাহিদার তুলনায় তা একেবারেই নগন্য বলে দাবী বন্যা কবলিত মানুষের। বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় ওই এলাকার লাখো মানুষের দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। অনেকেই অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার দুই ইউনিয়নের ৩৭টি গ্রামের মধ্যে সব ক’টি গ্রাম এখন অথৈ পানিতে সয়লাব। উজান থেকে নেমে আসা ঢলে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় তলিয়ে গেছে হাজার হাজার একর জমির ফসল। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চিলমারী এলাকার পদ্মা নদীর কুলবর্তি মানুষেরা। মূল পদ্মা নদীর রাজশাহীর বাঘা উপজেলা সীমান্তবর্তি কুষ্টিয়ার চিলমারী এলাকায় নদী ভাঙ্গনে প্রতি দিনই সেখানকার চিত্র পাল্টে যাচ্ছে। দুই মাস আগ থেকে পদ্মার মারাত্বক
ষের হাতে পৌছে দিলেও চাহিদার তুলনায় তা একেবারেই নগন্য বলে দাবী বন্যা কবলিত মানুষের। বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় ওই এলাকার লাখো মানুষের দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। অনেকেই অনাহারে অর্ধাহারে দিনাতিপাত করছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার দুই ইউনিয়নের ৩৭টি গ্রামের মধ্যে সব ক’টি গ্রাম এখন অথৈ পানিতে সয়লাব। উজান থেকে নেমে আসা ঢলে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় তলিয়ে গেছে হাজার হাজার একর জমির ফসল। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত চিলমারী এলাকার পদ্মা নদীর কুলবর্তি মানুষেরা। মূল পদ্মা নদীর রাজশাহীর বাঘা উপজেলা সীমান্তবর্তি কুষ্টিয়ার চিলমারী এলাকায় নদী ভাঙ্গনে প্রতি দিনই সেখানকার চিত্র পাল্টে যাচ্ছে। দুই মাস আগ থেকে পদ্মার মারাত্বক




